মেইল ইগো তার পার্টনারকে তার থেকে বেশি ফেমাস হতে দেখতে পারেনা
আমার স্বামী চাইতেন না আমি বিখ্যাত হই।হুমম,জনপ্রিয় নায়িকা কেট উইন্সলেট এভাবেই প্রকাশ্যে এনেছিলেন এক কঠিন সত্য।
১৯৯৭ সালে টাইটানিক মুক্তির পর কেট এর অভিনয় সাড়া ফেলে।তখন তিনি প্রেমে জড়ান পরিচালক জিম থ্রিপলটনের সাথে।ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল সময়ে বিয়েও করে ফেলেন।তবে এরপরই ঘটে বিপত্তি।নায়িকা জানান এটি তার জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন আমার স্বামী আমাকে সবার থেকে আলাদা করে ফেলেছিলো।আমার পরিবার এমনকি বন্ধুবান্ধব কারো সাথে তেমন যোগাযোগ করতে দিতেন না।
তিনি চাইতেন না আমি বিখ্যাত হই এবং আর সিনেমা করি।সবকিছুর পরও আমি মানিয়ে নিয়েছিলাম।কিন্তু একটা সময় দেখা গেলো,সন্তান হবার পরও তার পরিবর্তন নেই।শুধু তাই নয় সিনেমায় কোন কেন্দ্রীয় চরিত্র এলে সে স্ক্রিপ্ট ফেলে দিতো।এবং আমাকে বারবার মানা করতো কাজ করতে।ভয়ংকর ইগোর সমস্যা ছিলো জিমের।সে কখনোই চাইতো না আমি তার চেয়ে নাম ডাকে বড় হয়ে উঠি।তার কটুক্তি এবং বাজে কথায় আমি জীবনে চরম বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়ে যাই।আমি শিল্পী,তাই আর পারিনি।অনেকটা বাধ্য হয়েই আমি বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাই।
এরপর কেট বলেন, একজন নারীর জীবনে জীবনসঙ্গীর সাপোর্ট অনেক বড় প্রাপ্তি।কিন্তু সমস্যা হলো অনেক নারীই সেটি পান না।
ভাবতেই অবাক লাগে এতো বড় একজন নায়িকা ও সেলিব্রিটিকে শুধু নারী হবার কারণে কতো মেন্টাল ট্রমার মাঝে যেতে হয়েছে। আর কতো সাধারণ নারী আছেন,যাদের জীবন এর চেয়েও কঠিন।যারা বলেন নারীর জীবন সহজ জীবন।এটা ভুল।নারী আর পুরুষের সংগ্রাম কোনদিনও এক নয়।একজন নারীকে হোক সে সাধারণ বা অনেক বড় সেলিব্রিটি যেসব মানসিক বা শারীরিক নিগ্রহের মাঝে দিয়ে একজীবনে যেতে হয় সেটা পুরুষরা এতোটা অনুভবও করতে পারবে না।হয়তো সময় পাল্টায়,যুগ পাল্টায়। নারীর ভাগ্য ততোটা পাল্টায় না।নারীর জীবন মানেই ত্যাগ,কষ্ট আর লড়াইয়ের।সেটা হোক ক্যাট কিংবা ক্যাটরিনা অথবা সাধারণ নারী জরিনা কিংবা সখিনা।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0